মার্ক জাকারবার্গ facebook

0

সময়টা ছিল ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস। তখনও পর্যন্ত ভার্চুয়াল জগতে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিলো ই-মেইল। কিন্তু ওই সময় হার্ভার্ড এর এক ডরমিটরিতে কয়েকজন বন্ধু মিলে তৈরী করলেন “ফেসবুক” নামে সামাজিক যোগাযোগের একটি ওয়েবসাইট। শুরুতে নিজেরা এবং হার্ভার্ডের শিক্ষার্থীরা এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করলেও; পরে facebook দেয়া হয় অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝেও।

এরপর আর পেছনে ফিরতে হয়নি ফেসবুক ও এর প্রতিষ্ঠাতাদের। আর এখনকার ফেসবুকের অবস্থান তো সবারই কম-বেশী জানা। এতক্ষন যে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটটির কথা বলছিলাম; বন্ধুদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা সেই ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মার্ক জুকার বার্গ। কেউবা আবার তাকে জানে জাকারবার্গ নামে। পুরো নাম মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ। আমেরিকার একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও সফটওয়্যার ডেভলপার। এখন তিনি ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রেসিডেন্ট।

জন্মেছেন ১৯৮৪ সালের ১৪ মে; নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন এলাকায়। মনোচিকিৎসক ক্যারেন এবং দন্তচিকিৎসক এডওয়ার্ড জুকারবার্গ দম্পতির সন্তান মার্ক জুকারবার্গের রয়েছে র‍্যান্ডি, ডোনা এবং এরিএল নামের তিন বোন।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জুকারবার্গ পড়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। শুধু ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানীই নয় জুকারবার্গের আছে আরো অনেক পরিচয় এবং দক্ষতা। আর্ডসেলি হাই স্কুলে পড়ার সময় পারদর্শী হয়ে ওঠেন গ্রিক এবং ল্যাটিন ভাষায়। পরে স্থানান্তরিত হন ফিলিপস এক্সটার একাডেমীতে। সেখানে পুরস্কৃত হন বিজ্ঞান এবং ক্লাসিক্যাল শিক্ষায়। জুকারবার্গ ছিলেন অসিক্রীড়া তারকা। দায়িত্ব পালন করেছেন অসিক্রীড়া দলের অধিনায়ক হিসেবেও। কলেজে পরিচিত ছিলেন মহাকাব্যিক কবিতার লাইন থেকে আবৃত্তি করার জন্য।

২০১০ সালে মাত্র ২৬ বছর বয়সেই জুকারবার্গ ঠাঁই করে নেন বিশ্বের সর্বাধিক পঠিত সাপ্তাহিক টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে। টাইম ম্যাহাজিন ওই বছর তাকে “পারসন অব দ্য ইয়ার” হিসেবে মনোনীত করেছিল। গোটা বিশ্বেই এখন অন্যতম বড় সেলিব্রেটি মার্ক জুকারবার্গ। যিনি কোটি কোটি গ্রাহকের কাছে বিনামূল্যে পৌঁছে দিচ্ছেন ফেসবুকের সেবা; যা এখন সামাজিক যোগাযোগ ও ভার্চুয়াল জগতের অন্যতম একটি মাধ্যম।

জানালেন : আরিফুল ইসলাম ( দেশ টিভি )

 

Comment

comments

Comments are closed.