কোনটি সঠিক এক্সপোজার?

0

আপনি যখন ক্যামেরা অটো মুডে সেট করে ছবি তোলেন তখন ক্যামেরার সঠিক এক্সপোজার নির্ধারণ করা কিন্তু আপনার দায়িত্ব। এক্ষেত্রে আপনার ক্যামেরার উপর নির্ভর করলে আপনি সন্তোষজনক ফল নাও পেতে পারেন। তাই যাচ্ছেতাই ছবির জন্য আপনার ক্যামেরাকে দোষারোপ করার আগে আপনাকে বুঝতে হবে যে শাটার প্রেস করার পর ক্যামেরারা পর্দার পিছনে কি হচ্ছে। এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা ক্যামেরার সঠিক এক্সপোজার সন্মন্ধে জানবো।

অ্যাপার্চার এবং শাটার স্পিড
সঠিক এক্সপোজড ছবির মানে হচ্ছে ইমেজে সেন্সরে আলোর পরিমাণ সঠিকভাবে পড়া। সাধারনত এর দু’রকম পদ্ধতি আছে, প্রথমত অ্যাপার্চার বন্ধ অথবা খোলা রাখা (এক্ষেত্রে আপনি ক্যামেরার আইরিস হোলটি ছোট অথবা বড় করে নিতে পারেন অথবা একটি আলাদা ফিল্টার ব্যাবহার করতে পারেন যাতে করে খুব অল্প পরিমান আলো আপনার ইমেজ সেন্সরে পৌছতে পারে); এবং দ্বিতীয়ত আপনি নির্ধারণ করে নিতে

Apature-1

ছবি তোলার সময় যখন আপনি বড় অ্যাপার্চার ব্যাবহার করছেন (এই যেমন F2.8), তখন আপনার আইরিসের হোলটি ছোট হয়ে যায় এবং খুব অল্প আলো আপনার ইমেজ সেন্সরে পৌছয়।

আবার যখন খুব দ্রুত গতির শাটার স্পিড ব্যাবহার করা হয় (যেমন 1/1,000 sec.), তখন ইমেজ সেন্সর খুব অল্প সময়ের জন্য এক্সপোজ হয়। অন্যদিকে যখন আপনি স্লো শাটার স্পিড ব্যাবহার করবেন (1/30 sec); তখন ইমেজ সেন্সর একটু বেশি সময়ের জন্য এক্সপোজ হয়।

Apature-1.1.1

সঠিক এক্সপোজার পাওয়ার জন্য আপনার ক্যামেরার অ্যাপারচার এবং শাটার স্পিড সঠিকভাবে সেটিং করা অতি আবশ্যক। যেমন ধরুন আপনার ক্যামেরার আলোর পরিমাপক 1/30 সেকেন্ড এর একটি শাটার স্পিডের জন্য F8 এর একটি অ্যাপার্চার নির্ধারণ করতে পারে। যদি আপনি শাটার রিলিজ বাটন প্রেস করেন তাহলে আপনার ক্যামেরা আইরিস অ্যাপার্চারে বন্ধ হবে। এবং 1/30 sec শাটারে খুলবে।

জটিলতা

কিছু ক্ষেত্রে এখানে জটিলতা দেখা যায়। আপনি যদি একটি নির্মল এবং শান্ত ল্যান্ডস্কেপে, F8 1/30 সেকেন্ড  সেটিং এ একটি একটি ছবি তোলেন, হয়তো এটি নিখুঁত হতে পারে! ছোট অ্যাপার্চার আপনাকে কাছের এবং দূরের বস্তু ফোকাসের ক্ষেত্রে একটি ভাল গভীরতা নিশ্চিত করে। ধীর গতির শাটার স্পিড আপনার জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে যদি না আপনি ট্রাইপড ব্যাবহার করেন। ধীর গতির শাটার স্পিডের মাধ্যমে তোলা ছবি একটু ঝাপসা হয়।

Apature-1.2

কিন্তু আপনি যদি কোন ছোট বাচ্চার ঘুড়ি উড়ানোর ছবি তুলতে চান তবে যে শুধুমাত্র ধীর গতির শাটার স্পিডের কারনে ছবিটি ঝাপসা আসবে তা নয়, এখানে বাচ্চাটিও অনবরত নড়াচড়া করছে যার কারনে আপনার পুরো ছবিটিই ঘোলাটে। আপনি যদি এধরনের ফাস্ট অ্যাকশন ক্যাপচার করতে চান তবে আপনাকে দ্রুত গতির শাটার স্পিড ব্যাবহার করতে হবে। তাই আপনার ক্যামেরার মুড ‘Sports/Action’ এ সেট করুন। আর যদি আপনার ক্যামেরায় শাটার স্পিড সেট করার অপশন থাকে তবে তা 1/250 sec এ সেট করুন। সঠিক এক্সপোজার পেতে হলে আপনি অ্যাপার্চার খুলে নিতে পারেন।

মনে রাখবেন আপনি যখন দ্রুত গতির শাটার স্পিড সিলেক্ট করছেন তার মানে হল আপনার ইমেজ সেন্সর অল্প সময়ের জন্য খুলবে। যদি আপনি অ্যাপার্চার না খুলে তা F8 মুডে রাখেন তবে আপনার ক্যামেরার ইমেজ সেন্সর কম আলো রিসিভ করবে যার ফলে আপনার ছবি পরিষ্কার কিন্তু অন্ধকার আসবে।

অ্যাপারচার এবং শাটার স্পিডের সেটিং

Apature-1.3

‘প্রোগ্রাম শিফট’ এমন একটি টার্ম যা অ্যাপার্চার / শাটার স্পিডকে সমন্বয়ের মাধ্যমে সঠিক একটি এক্সপোজার পেতে সাহায্য করে। উপরের চিত্রিত সেটিং গুলোর মধ্যে যদি F8 এর 1/30 sec সেটিং সঠিক এক্সপোজার দিতে পারে তবে অন্য তিনটি সেটিং এও একই রেসাল্ট আসবে। আপনি যখন অ্যাপাচার F2.8 থেকে F8 এর দিকে নিয়ে যাবেন তখন খুব ভালভাবেই বুঝতে পারবেন যে কি পরিমান আলো ইমেজ সেন্সরে পৌছাতে পারছে। প্রতিটি শাটার স্পিড যখন 1/250s থেকে  1/30s তে শিফট করবেন তখন দেখবেন যে ইমেজ সেন্সরে আরও দ্বিগুণ পরিমান আলো পৌছাচ্ছে।

তাই সঠিক এক্সপোজার মেইনটেইন করুন, আপনি যদি কোনটার অর্ধেক ব্যাবহার করেন তাহলে অন্যটির দ্বিগুণ ব্যাবহার করতে হবে। যেমন ধরুন আপনি শাটার স্পিড কমিয়ে 1/30s থেকে1/60s নিয়ে গেলেন, তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাকে অ্যাপাচার F8 থেকে F5.6 দ্বিগুণ বাড়াতে হবে।

একইভাবে বিপরীত কাজটিও করতে হবে অর্থাৎ একটি যদি আপনি দ্বিগুণ ব্যাবহার করেন তবে অন্যটির অর্ধেক ব্যাবহার করতে হবে।

গার্ডেন হোশের উদাহরণ

আসুন অ্যাপার্চার / শাটার স্পিডের সমন্বয় সম্পর্কে আরও কিছু জানি। আপনার বাগানে ব্যবহৃত সেই পাইপটির কোথা চিন্তা করুন যেটির সাহায্যে আপনি বালতিতে পানি ভরেন। পাইপটির ব্যাসকে আপনি অ্যাপার্চারের সাথে তুলনা করতে পারেন: পাইপটি যত বড় হবে তত বেশি পানির প্রবাহ এটির মধ্যে দিয়ে আসবে। আপনি ট্যাপ খোলা রাখার সময়টি শাটার স্পিড হিসাবে চিন্তা করা যেতে পারে:    যত  বেশিক্ষন পর্যন্ত ট্যাপটি খোলা থাকবে তত বেশি পরিমান পানি প্রবাহ আসবে। আর পানির গতিকে ISO এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে: পাইপের ভেতর পানির গতি যত বেশি হবে তত বেশি পরিমান পানির প্রবাহ বেরিয়ে আসবে। আর বালতিতে যে পরিমান পানি সংগ্রহ করা হয়েছে তা হল এক্সপোজার।

ধরুন আপনি দুটি পাইপ ব্যাবহার করছেন। একটি ছোট ব্যাসার্ধের (F8 অ্যাপার্চার) এবং অন্যটি বড় (F2.8 অ্যাপাচার)।

এখন আমাদের বালতিটি পূর্ণ করতে আমরা ছোট ব্যাসার্ধের পাইপটি ব্যাবহার করবো এবং পানির ট্যাপ ১০ মিনিট পর্যন্ত খোলা রাখব (শাটার স্পিড 1/30 sec)

তাহলে আমাদের এক্সপোজারের সেটিং হবে

  • ছোট পাইপ এবং ১০ মিনিট সময়
  • ছোট অ্যাপাচার (F8) এবং ধীর গতির শাটার স্পিড (1/30 sec)

তাহলে যদি আপনি ছোট পাইপ ব্যাবহার করেন এবং ৩ মিনিট পর পানির ট্যাপ বন্ধ করে দেন, আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন যে আপনার বালতি পুরোপুরি  ভরেনি।

ঠিক একইভাবে ক্যামেরার অ্যাপাচার এবং শাটার স্পিড ব্যাবহার করুন,তখন আপনি দেখবেন যে পর্যাপ্ত পরিমান আলো আপনার ইমেজ সেন্সরে পড়েনি।

তাহলে বালতিটি ভরতে হলে আপনাকে কি করতে হবে? বড় পাইপটির ব্যাবহার! আখন আপনার পাইপটি দিয়ে প্রচুর পরিমান পানি নিরগমন হবে এবং আপনার বালতিটিও ভরে যাবে এমনকি আপনি ট্যাপ আগেরভাগে বন্ধ করে দেয়ার পরও।

একইভাবে দ্রুত গতির শাটার স্পিড ব্যাবহার করলে আপনাকে বড় অ্যাপার্চার ব্যাবহার করতে হবে। তাই 1/250 সেকেন্ড এ F2.8 এ ডায়াল করুন আর প্রেস করুন। দেখবেন একটি পারফেক্ট এক্সপোজড ছবি বেরিয়ে আসবে।

এক্সপোজার সেটিং

  • বড় পাইপ এবং ৩ মিনিট সময়।
  • বড় অ্যাপাচার (F2.8) এবং দ্রুত গতির শাটার স্পিড

Apature-1.4

অবশ্য এসব কিছুই আপনার ডিজিটাল ক্যামেরার কনফিগারেশনের উপর নির্ভর করে। যেমন একটি সাধারন শাটার স্পিড রেঞ্জ হল 1 sec – 1/1,000 sec এবং অ্যাপার্চারের রেঞ্জ F2.8 – F8।

এই হল শাটার স্পিড আর অ্যাপার্চারের সমন্বয় যার সাহায্যে আপনি সঠিক এক্সপোজার পেতে পারেন। আপনি যদি সঠিকভাবে সমন্বয় করতে না পারেন তবে নিচের রেঞ্জগুলো দেখুন

ওভার এবং আন্ডারএক্সপোজড

Apature-1.5

যদি আপনি 1/500 sec এর বেশি গতির শাটার স্পিড ব্যাবহার করতে চান তবে আপনাকে ক্যামেরার অ্যাপার্চার F1.8 তে আরও এক ধাপ বাড়াতে। কিন্তু যদি আপনার ক্যামেরার অ্যাপার্চার সর্বোচ্চ F2.8 পর্যন্ত থাকে তবে আপনি এর উপরে যেতে পারবেন না। যদি আপনি এর উপরে যান তবে আপনার তোলা ছবি ভালো আসবে না।

অন্যদিকে আপনি যদি ধীর গতির শাটার স্পিড অর্থাৎ 1/125 sec ব্যাবহার করেন এবং অ্যাপার্চার আগের মতই মতই F2.8 এ রাখেন তহলে আপনার ছবি আলোর পরিমান বেশি হবে এবং ওভারএক্সপোজড। ভালো ছবি পেতে হলে আপনাকে 1/125 sec এর এক্সপোজারের জন্য F4 এ অ্যাপার্চার সেটিং করতে হবে।

ISO

কোন কোন ক্ষেত্রে আইএসও ফ্যাক্টর? আমরা বাগানের পাইপ দিয়ে উদাহরণ দিয়েছি যাতে করে আপনি অ্যাপার্চার এবং শাটার স্পিডের সমন্বয়টি ভালভাবে বুঝতে পারেন: ছোট পাইপ দিয়ে বালতি ভরতে সময় বেশি লাগে; কম সম্যে বালি পূর্ণ করতে আমাদের চাই বড় পাইপ।

কিন্তু কি হবে যদি আমাদের কাছে বড় পাইপ না থাকে? তখন আমাদের পানির প্রবাহ বাড়াতে হবে। ছবি তোলার ক্ষেত্রে আমরা ক্যামেরার আইএসও বারাব যেমন করে আমরা বালতি পূর্ণ করতে পানির গতি বাড়াবো। ছোট পাইপ ব্যাবহার করেও যদি আমরা পাইর গতি প্রবাহ বাড়াতে পারি তবে আমরা জলদি বালতিটি পূর্ণ করতে পারব। একইভাবে আপনি যদি আইএসও এবং ইমেজ সেন্সিটিভিটি বাড়ান তবে ছবি তোলার সময় আপনার কোন আলো হলেও চলবে।

ধরুন আমরা 1/30 sec এ এক্সপোজার, F8 এ ১০০ আইএসও। এখন আইএসও  বাড়িয়ে ২০০ তে নিয়ে গেলে আমারা এখন F8 এর দ্রুত গতির শাটার স্পিড ব্যাবহার করতে পারি অথবা 1/30 sec এর কম অ্যাপার্চারও ব্যাবহার করতে পারি। উপরের উদাহরণে যেখানে আমরা ক্যামেরার অ্যাপার্চারের লিমিট সম্পর্কে বলেছিলাম, আমরা সেখানে উচ্চমাত্রার আইএসও F2.8  এ 1/250 sec ব্যাবহার করতে পারি।

শুনতে ভালই লাগছে, তাই না? তাহলে আমরা সবসময় কেন উচ্চতর আইএসও ব্যাবহার করি না? উত্তর হল ভয়ংকর গোলমাল ছবি। আপনি উচ্চমাত্রার আইএসও ব্যাবহার করলেই ইমেজ সেন্সর হঠাৎ করেই এতটা সেন্সেটিভ হয়ে উঠতে পারবে না। এটা ইমেজ কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে সেন্সিটিভিটি লাভ করে।

আপনি যখন উচ্চতর আইএসও ডায়াল করছেন তখন ইমেগ সেন্সরের সেন্সিটিভিটি ও বাড়বে। দুঃখজনকভাবে ইমেজ সেন্সর তখন শুধু বেশি আলোই ক্যাপচার করবে না বরং ইমেজে একটি ঝিরঝিরে ভাবের জন্ম দেবে যাকে নয়েজ বলে। অতিরিক্ত আলোর কারনেই ছবিতে ঝিরঝিরে ভাব দেখা যায়। আপনার ইমেজ সেন্সর যত বেশি পরিমান আলো ক্যাপচার করতে পারবে তত কম পরিমান নয়েজ আপনার ইমেজে থাকবে। ইমেজ সেন্সর যত কম হবে ছবিতে নয়েজ তত বেশি হবে। কিছু  DSLR ক্যামেরায় নয়েজি ছবি  আসে না, কারন এতে উচ্চমাত্রার আইএসও এর পাশাপাশি বড় ইমেজ সেন্সর ও সেট করা থাকে।

অনেক সময় বিজ্ঞাপনে কিছু ক্যামেরা দেখায় যেগুলো উচ্চমাত্রার আইএসও সম্পন্ন যা দ্বারা অল্প আলোতেও আপনি ফ্ল্যাশ ব্যাবহার না করে ছবি তুলতে পারবেন। কিন্তু যেসকল ক্যামেরায় অল্পমাত্রার ইমেজ সেন্সর থাকে সেগুলিতে উচ্চমাত্রার আইএসও ব্যাবহার করার পরও নয়েজি ছবি আসে। অতিরিক্ত নয়েজ দূর করতে ক্যামেরায় নয়েজ রিডাকশন বিল্ট ইন থাকে।

এই আলোচনা থেকে দূরে থাকা মানে হচ্ছে আপনি ভালো ইমেজ কোয়ালিটির জন্য সবসময় কম মাত্রার আইএসও ব্যাবহার করবেন। কম আলোর মধ্যে ভালো ছবি তোলার জন্য আপনাকে আইএসও বাড়াতেই হবে। আর আপনি যদি এরপরও ছবির কোয়ালিটি নিয়ে সন্তুষ্ট না হন তবে আপনি ওইসব DSLR ব্যাবহার করতে পারেন যেটাতে কম নয়েজি ছবি তোলা যায় এবং উচ্চমাত্রার আইএসও আছে।

কমন অভিযোগ

কিছু কমন অভিযোগ যা প্রারম্ভিক ব্যাবহারকারীদের কাছ থেকে শোনা যায়:

  • Underexposure
  • Overexposure
  • Blurred Images

আমরা এগুলো নিয়ে আগেও আলোচনা করেছি, তারপরও আবার করা যাক

যদি আপনার ছবি বারবার ডার্ক আসে তবে আপনি ছবি underexposing করছেন।  মনে রাখবেন আপনার ক্যামেরা অটো মুডে দেয়া থাকার পরও ছবি ভালো আসবে না যদি না আপনি ক্যামেরার পর্যাপ্ত আলো না পাওয়ার ওয়ার্নিং ফলো করেন। আপনাকে পর্যাপ্ত আলোর জন্য ফ্ল্যাশ ব্যাবহার করতে হবে অথবা আলাদা কোন ভাবে আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। নয়তো underexposed  আসবে।

যখন অতিরিক্ত আলোর কারনে ছবি ঝলসে যায়, তখন সেটাকে overexposed ইমেজ বলে।

একটি ঝাপসা ছবি blurred image এর জন্ম হয় যখন হয় ক্যামেরা শেক এড়ানোর জন্য আপনি অত্যন্ত ধীর একটি শাটার স্পিড ব্যবহার করছেন অথবা ‘freeze’ motion’ ব্যাবহার করছেন। দ্রুত গতির শাটার স্পিড ব্যাবহার করুন, পাশাপাশি অ্যাপার্চার ও অ্যাডজাস্ট করে নিন। ধরুন আপনি 125mm এ zoom করলেন, তারপর শাটার স্পিড দিলেন 1/125 sec এ অথবা তার চেয়েও বেশি যাতে আপনি motion freeze করতে পারেন, 1/60 sec এর চেয়ে দ্রুত শাটার স্পিড সাধারনত motion এর স্পিডের উপর নির্ভর করে।

Exposure Bracketing

মাঝে মাঝে ছবির কোন কোন অংশে underexposure কোন কোন অংশে overexposure দেখা যায়। আপনি যদি ছায়ার জন্য মিটার করেন তবে হাইলাইট নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। আর যদি হাইলাইটের জন্য মিটার করেন তবে ছায়া নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। ছবির এক্সপোজার ঠিক না করতে পারলে আপনি আরেকটি কাজ করতে পারেন ছায়াতে একটি ছবি তুলুন। ক্যামেরা না সরিয়ে হাইলাইট মুডে আরেকটি ছবি এবং নর্মাল মুডে আরেকটি ছবি তুলুন। এবার এডিটিং সফটওয়ারে তিনটি ছবি পাশাপাশি রেখে যেকোনো একটি ছবিকে সতর্কতার সাথে এডিট করুন এবং এতে সঠিক এক্সপোজার দিন।

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়  ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার

Comment

comments

Comments are closed.