DSLR এর সঠিক লেন্স বাছাই ?

0

DSLR কেনার সময় আপনি সাথে যেই লেন্সটি পান —সাধারনত 18-55mm zoom বা এর কাছাকাছি কোনএকটা মানের হয় — যা কিনা নির্দিষ্ট কোন স্তর পর্যন্ত বহুমুখী কাজ করতে পারে কিন্তু এর চেয়ে বেশি কিছু না। এটি কোন sharp ইমেজ ক্যাপচার করতে পারে না, এর কোন স্পেশাল ফিচারও নেই কিন্তু বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আপনি এর দ্বারা কাজ সম্পন্ন করে নিতে পারেন। যখন আপনি বাজারে লেন্স কিনতে যাবেন, তখন আপনি লেন্সের বহুমুখিতার দিকে দৃষ্টি না দিয়ে দেখবেন কোন নির্দিষ্ট কাজের জন্য এটি ভালো। তাহলে চলুন দেখা যাক কোন লেন্স কেমন এবং কোনটি আপনার জন্য উপকারী?

লেন্সের মূলসূত্র সম্পর্কে জানুন
বিভিন্ন ধরনের লেন্স সম্পর্কে জানার আগে লেন্স ব্যাবহারের কিছু শর্তাবলী এবং মৌলিক ধারণা সম্পর্কে জানা জরুরী যাতে করে আপনি বুঝতে পারেন কি ধরনের লেন্স কিনবেন। লেন্সের নির্দিষ্ট কোন নাম নেই কিন্তু এর লেবেলের মাধ্যমে একে সনাক্ত করা যায়,যেমন 18-55mm f/3.5-5.6। এই উপাধি দ্বারা অনেক কিছু বোঝা যায়, কিন্তু আপনি যদি না জানেন তবে আপনি এর কিছুই বুঝবেন না। এই সেকশনে আমরা আপনাকে লেন্সের বিভিন্ন লেবেলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো এবং কোন লেবেল দ্বারা কি বোঝায় তার সম্পর্কে জানাবো।
Zoom Lenses বনাম Prime Lenses

Lense-2

প্রথমেই zoom লেন্স এবং prime লেন্স এর পার্থক্য সম্পর্কে জানা আবশ্যক। একটি zoom লেন্স তাই করে যা আপনি আশা করছেন অর্থাৎ zooms in এবং out, যাতে করে আপনি সাবজেক্টকে আরও কাছ থকে দেখতে পারেন। অন্যদিকে prime লেন্সের সাথে সাবজেক্টকে কাছ থেকে দেখতে হলে আপনাকে নজে সামনে পিছে এগুতে হবে। তাহলে কেন সবাই zoom লেন্সের চাইতে prime লেন্স বেশি প্রেফার করে? এর কারন হচ্ছে prime লেন্স সস্তা এবং অধিকতর sharp ইমেজ প্রদান করে। এর বড় অ্যাপাচার কিছু নির্দিষ্ট ফাংশন zoom লেন্সের চাইতে ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই বলা হয়, পর্যাপ্ত অর্থ হলে একটি zoom লেন্স ভাল কাজ করে এবং বহুমুখিতা প্রদান করে। অবশ্যই আপনার একটি সুবিধা আছে যা হল আপনাকে ক্রমাগত লেন্স পরিবর্তন করতে হবে না। কারন Zoom লেন্সের দ্বারা আপনি ক্রমাগতভাবে কাছে এবং দূরের ছবি তুলতে পারছেন, যা Prime লেন্স দিয়ে সম্ভব না।

zoom এবং prime লেন্স দুটোই লেন্সের ফোকাস দৈর্ঘ্য দ্বারা ডিজাইন করা। ফোকাল দৈর্ঘ্য প্রায়ই মিলিমিটার মাপা হয় এবং মনোনীত দূরত্ব ফোকাস করে। তবে এই সংজ্ঞার মাদ্ধমে বিশেষ কিছু প্রকাশিত হয় না, তাই ফোকাল দূরত্ব সম্পর্কে আপনার যেটা মনে রাখা আবশ্যক তা হল ছোট নম্বর wider view indicate করে এবং বর নম্বর closer view indicate করে। উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি বাড়ির ছোট কন কামড়ায় ফটোগ্রাফি করার সময় 18mm এর লেন্স ব্যাবহার করেন তবে কামড়ার প্রায় সম্পূর্ণ অংশের ভিউ ক্যাপচার করতে পারবেন আর যদি 85mm এর লেন্স ব্যাবহার করেন তবে খুবে বেশি পরিমান ভিউ ক্যাপচার করতে পারবেন না। Prime এর শুধু মাত্র এক্তি ফোকাল দৈর্ঘ্য আছে, এবং তাই এরা কেবল 35 mm, 50mm ইত্যাদি হিসাবে লেবেল করা থাকে। Zoom লেন্স এর বিভিন্ন মাত্রা আছে,তাই এগুলো offer a range, 18-55মাত্রায় লেবেল করা থাকে, যাতে করে আপনি 18-55 এর মধ্যে কাছের কিংবা দূরের যেকোনো অবজেক্ট ফোকাস করতে পারেন।

অ্যাপারচার

Lense-3
লেন্সের শিরোনামের দুটি পরিমাপ আছে। প্রথমটি হল ফোকাল দৈর্ঘ্য, আর পরেরটি অ্যাপারচার। অ্যাপারচার নির্ধারণ করে লেন্সে কতটুকু পরিমাণে আলো ঢুকবে। যখন লেন্সের বড় অ্যাপাচার থাকবে, যেমন f-stop তখন এটি বেশি পরিমান আলো ক্যাপচার করে। যখন একটি লেন্সের When a lens has a narrow অ্যাপাচার থাকে এবং এটি যদি বড় মানের হয় তবে, এটি কম আলো ক্যাপচার করে। Wide অ্যাপাচার আপনাকে কম আলোতে ছবি তুলে সাহায্য করে কারন তখন লেন্স নিজেই বেশি আলো ক্যাপচার। উপরের ছবিটির দিকে লক্ষ্য করুন। ছবির লেন্সটি Wide অ্যাপাচারে আছে, লক্ষ্য করে দেখুন যে লেন্সের সামনের কাঁচ দিয়ে অনেক পরিমান আলো যাচ্ছে। যদি লেন্সের হোলটি ছোট হয় তবে অ্যাপাচার সংকীর্ণ হবে এবং কম আলো প্রবেশ করবে। অ্যাপারচার শুধুমাত্র একটি concept নয়, যদি আপনি লেন্সের দিকে তাকান তখন আসলেই কিছু দেখতে পারেন।

আপনি কেবল মাত্র একটি অ্যাপাচারের সাথে আটকে থাকবেন না। একটি লেন্স এর ডিজাইন অনুযায়ী f/1.8 এর মত চমৎকার এবং বিস্তৃত অ্যাপাচার সেট করে। আপনি আপনার ইচ্ছে মত অ্যাপাচার পরিবর্তন করতে পারেন যাতে করে লেন্সে কম আলো প্রবেশ করতে পারে। এখন প্রশ্ন হোল কেন আপনি এটা করবেন? এর কারন হোল সংকীর্ণ অ্যাপাচার আপনাকে ছবি তোলার একটি ভাল গভীর ফিল্ড দেবে যাতে করে আপনি অবজেক্টের সূক্ষ্ম জিনিসগুলো ফোকাস করতে পারেন। যখন আপনি একটি ল্যান্ডস্কেপের ফটোগ্রাফি করছেন তকন আপনি চাইবেন যে আপনার ক্যামেরা যাতে পুরো ইমেজটিই ফোকাস করে। সেক্ষেত্রে সুধুমাত্ত্র উচ্চমাপের অ্যাপাচারই আপনাকে কাঙ্ক্ষিত ইমেজটি দিতে পারে। বিস্তৃত অ্যাপাচার আপনাকে কম সূক্ষ্ম ইমেজ প্রদান করবে। তাই বলা হয়, আপনি সবসময় সবকিছু ফোকাস করতে চান না। Portrait ছবি তোলার সময় বিস্তৃত বা wide অ্যাপাচার ভালো, কারন এটা ব্যক্তিকে ফোকাস করে পুরো background blur করে দেয়। উদাহরণস্বরূপ উপরের ছবিটি দেখতে পারেন। এতে সাবজেক্ট ছাড়া বাকি সবকিছুই blur।

সব একসঙ্গে রাখুন
এখন যখন আপনি অ্যাপাচার এবং ফোকাল দৈর্ঘ্য বুঝতে পেরেছেন, তাহলে আপনি সহজেই লেন্সের মান পড়তে এবং বুঝতে পারবেন। চলুন ইতিমধ্যে আপনার যে স্ট্যান্ডার্ড zoom লেন্সটি আছে সেটি ভেঙ্গে ফেলা যাক। খুব সম্ভবত এটার লেভেল 18-55mm f/3.5-5.6 এর মধ্যে হবে। এর মানে আপনি জানেন যে এই লেভেলের লেন্স দ্বারা আপনি 18mm পর্যন্ত বিস্তৃত এবং 55mm পর্যন্ত দূরের ছবি কাছে এনে তোলা যাবে। আপনি দ্বিতীয় অংশটি সম্পর্কেও জেনে থাকবেন, যেখানে f/3.5-5.6 মানে সর্বচ্চ অ্যাপাচার। f/3.5 যখন আপনি 18mm এ zoom out করবেন আর f/5.6 যখন 55mm zoom in করবেন। কিন্তু ব্যবহারের বাস্তবিক মানে কি? এটা বুঝতে গেলে প্রথমে আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের লেন্সের ব্যাবহার সম্পর্কে জানতে হবে।

লেন্সের প্রকারভেদ
লেন্সের ফোকাল দৈর্ঘ্য এর উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন designations আছে। সাধারনত বলা হয় wide field এর লেন্স বেশি গভীরত্ব প্রকাশ করে অন্যদিকে সংকীর্ণ লেন্স কম গভীরত্ব প্রকাশ করে। ফোকাল দৈর্ঘ্য পরিবরতনের মাধ্যমে আপনি আপনার ছবিকে দিতে পারেন একটি ভিন্ন মাত্রা সেটা হোক zoom লেন্স দিয়ে অথবা prime লেন্স দিয়ে। এই সেকশনে আমারা ভিন্ন প্রকার লেন্স সন্মন্ধে জানবো এবং এর কাজ নিয়ে আলচনা করবো।

নোটঃ প্রতিটি লেন্সের কিছু মাত্রা পর্যন্ত ফোকাল দৈর্ঘ্য আছে (e.g. 50-100mm)। যদি আপনার একটি ভাল মানের DSLRক্যামেরা থেকে থাকে যার ভেতর APS-C sensor আছে। APS-C sensors ফোকাল দৈর্ঘ্যকে প্রায় 1.6 বার magnify করে। এর মানে হোল 50mm লেন্স তখন 80mm লেন্স হয়ে যায়। এটা খুবি গুরুত্বপূর্ণ তার কারন হোল লেন্সের magnification একে এক ক্যাটাগরি থেকে অন্য ক্যাটাগরিতে নিতে সাহায্য করে। তাই ক্যামেরা কেনার সময় এটি মাথায় রাখবেন।

ফিশআই (12mm বা কম)

Lense-4
ফিশআই হোল বিস্তৃত লেন্স যা আপনি কিনতে পারেন। উপরের ছবিটি দেখুন কখনো কখনো এতে আপনার ছবি বৃত্তের মত দেখায় এবং আপনার ক্যামেরা তখন শুধু লেন্স ব্যারেলের ভেতরের অংশটি ক্যাপচার করে। ফিশআই লেন্স তখনই ব্যাবহার করা হয় যখন আপনি আপনার ছবিতে প্রায় সবকিছুই ক্যাপচার করতে চান। ফিশআই ফটোতে লক্ষ্য করলে আপনি বিভিন্ন পশু , মানুষের মজার চেহারা দেখতে পাবেন। অবশ্যই, ছোট স্থানে আরো বাস্তবিক ফোটোগ্রাফির ব্যবহারসমূহের জন্য বা আপনার ছবিতে একটি নির্দিষ্ট অর্থ তৈরিতে বাস্তবতা বিকৃত করার জন্য এটি করা হয়।
Wide Angle (18-30mm)

Lense-5
ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স ফিশআই এর মতই একটি অতিরঞ্জিত গভীরতা তৈরি করে, কিন্তু একটু অপেক্ষাকৃত কম ব্যাপ্তিতে। আপনি যদি কেমেরাতে বেশিকিছু ক্যাপচার করতে চান তবে আপনাকে ওয়াইড এঙ্গেলে যেতে হবে। ওয়াইড এঙ্গেল কিছু বিকৃতি ঘটাতে পারে। For example, যেমন একটি ফ্রেমের ভেতরে আপনি যদি মাটিতে পড়ে থাকা কোন মইয়ের ফটোগ্রাফি করতে চান তবে ছবিটি বাঁকা হয়ে উঠবে। যদিও কিছু কিছু দামী wide angle লেন্স এই সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম এবং আপনি ফটোশপের মতো এডিটিং সফটওয়্যারের মাধ্যমেও ঠিক করে নিতে পারেন। আপনি যদি একটি ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স ব্যবহার, মনে রাখবেন যে শুধু ইমেজ বিকৃত হবে এবং আপনি আপনার সুবিধাজনক এটি ব্যবহার করতে পারেন যাতে গভীরতার অতিরঞ্জিত করা হবে।

Standard (35-85mm)

Lense-6

স্ট্যান্ডার্ড লেন্স হচ্ছে আয়না যা মানুষ সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে চোখে সূচিত করে। আপনি যদি আপনার ছবি প্রাকৃতিক চেহারা দিতে চান, তাহলে স্ট্যান্ডার্ড লেন্স সবচেয়ে ভাল উপায়। একটি 50mm লেন্সকে সাধারণত নিকটস্থভাবে মানুষের চোখের দেখার সাথে তুলনা করা হয়, যদিও অনেকে মনে করেন লেন্স এই কাজতি করে। তথাপি, উভয়ই সুন্দর এবং সুদর্শন প্রাকৃতিক ফটোগ্রাফ উত্পাদন করে। উপরন্তু, 35mm, 50mm এবং 85mm লেন্স সাধারণ ফোকাল লেন্থ যা কিনা সস্তা প্রাইম লেন্স জন্য হয়। এটা একটি চওড়া এবং সর্বোচ্চ অ্যাপাচারের লেন্স পেতে সাহায্য করে তাও আবার অনেক টাকা ব্যয় না করেই। আপনি যদি পোর্ট্রেট অথবা প্রাকৃতিক কোন ছবি কাছ থেকে তুলতে চান তবে 50mm এর লেন্স ব্যাবহার করাটাই উত্তম। অনেকই পোর্ট্রেটের জন্য 85mm পছন্দ করে থাকেন, তবে এটা ছবির গভীরতাকে ফ্ল্যাট করে দেয়। তথাপি সবার পছন্দের মাঝে একটি স্ট্যান্ডার্ড লেন্স থাকা আবশ্যক। যেসব লেন্স স্পেশাল ফিচার অফার করে না সেসব লেন্স ছবি তোলার জন্য সঠিক না।

টেলিফোটো (100-300mm)

Lense-7
যখন আপনার খুব কাছ থেকে ছবি তোলা প্রয়োজন কিন্তু আপনার পক্ষে তা সম্ভব নয় তহন আপনার প্রয়োজন টেলিফোটো লেন্স। যখন কোনোরকম নড়াচড়া ছাড়া আপনার সাবজেক্টের কাছে গিয়ে ছবি তোলার সুযোগ থাকে তখন আবার টেলিফোটো লেন্স ভাল কাজ করে না। ধরে নিন আপনি রাস্তায় চলাচলকারী দুই প্রান্ত থেকে হেতে আসা দুই ব্যক্তির ছবি তুলবেন, সেক্ষেত্রে টেলিফোটো লেন্স ব্যাবহার করলে আপনি ভাল ফলাফল পাবেন। ছতি দেখলে তখন মনে হবে যে দুইজন ব্যক্তি একে অপরের খুব কাছাকাছি। ফ্ল্যাট ছবি স্থান খুব একটা খারাপ জিনিস না, কিন্তু এটি আপনি ব্যবহার করার আগে বিবেচনা করে নিতে পারেন, তাই টেলিফোটো লেন্স ব্যাবহারের পূর্বে এটির কারণ জানা গুরুত্বপূর্ণ। যম্নতি আপনি উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন যে কি সুন্দরভাবে টেলিফোটো লেন্স দূরে থাকা সত্ত্বেও সাবজেক্টকে তার ব্যাকগ্রাউনড থেকে আলাদা করেছে। আপনি যদি টেলিফোটো লেন্স ব্যাবহার করতে চান তাহলে একটু দাম দিয়েই না হয় কিনুন এবং খেয়াল রাখবেন যেন এতে অপটিক্যাল অপটিক্যাল স্থিতিশীলতা থাকে। ছোট ছোট মুভমেন্ট হতে শুরু করে সবকিছুই টেলিফোটো লেন্সে ম্যাগ্নিফাই হয়। তাই আপনার ক্যামেরা যদি স্থিতিশীল না থাকে তবে আপনার ক্যামেরায় অনেক অবাঞ্ছিত ব্লার মোশন ধরা পড়বে। আর তাছারা আপনি সরাক্ষন ট্রাইপড নিয়ে ঘুরতে পারবেন না। স্টেবিলাইজার আপনার ছবিকে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

সুপার টেলিফোটো (300mm বা একাধিক)

Lense-8
সুপার টেলিফোটো লেন্স দিয়ে চাঁদের ছবি shoot করা যায়। যখন আপনি অতি দূরের কোন জিনিষের ছবি তুলতে চাইবেন তখন এধরনের লেন্সের প্রয়োজন। সাধারন টেলিফোটো লেন্সের মতো সুপার টেলিফোটো লেন্সের একই অনুকূল প্রতিকূল আছে কিন্তু এর মাত্রাটা একটু বেশি। আপনি যদি দূরত্বটা ভালভাবে বুঝতে পারেন তবে ভাল ফলাফল পাবেন। আপনার সাবজেক্ট ঠিক রেখে ব্যাকগ্রাউন্ডকে পুরোপুরি ব্লার করে ফেলবে। এতে করে আপনি ইমেজের মধ্যে সুন্দর সিলেক্টিভ ফোকাস অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

লেন্সের বিশেষ ধরণ:

Lense-9
কিছু লেন্স অতিরিক্ত আকর্ষণীয় প্রভাব তৈরি করতে পারে যা তাদের ফোকাল দৈর্ঘ্য এর উপরে সেট থাকে। ম্যাক্রো লেন্স আপনার দূরের সাবজেক্টকে অবিশ্বাস্য রকম কাছে টেনে নিয়ে আসে যা খালি চোখে সম্ভব না। T ilt-Shift লেন্স বেছে বেছে ছবির নির্দিষ্ট জায়গায় ফোকাস করে এবং একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ আবহ তৈরি করে। এই দুটো জিনিস খুবই জনপ্রিয়, কিন্তু আপনি আরো অনেক কিছু পাবেন যদি অনুসন্ধান শুরু করেন।
পেশাল লেন্স অনেক মজার হতে পারে, কিন্তু আপনি যেহেতু মাত্র নতুন নতুন শুরু করেছেন তাই এসবকিছু এড়ানোই ভালো। এগুলো শুধু আপনার খরচই বাড়াবে না তার সাথে অনেক জটিলতাও সৃষ্টি করবে। লেন্স কিনতে হলে বেসিক লেন্সই কিনুন। যখন আপনি বেসিকে পারদর্শী হয়ে উঠবেন তখনই স্পেশাল ফিচারের লেন্স ব্যাবহার করতে পারবেন।

লেখাটির কিছু ছবি ইন্টারনেট থেকে নেয়া।

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার

Comment

comments

Comments are closed.